smartbdmoms

বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী থাকার উপায়: বাংলাদেশি গৃহিণী নতুন মায়েদের জন্য ৫০/৩০/২০ নিয়ম

অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী থাকার উপায়: বাংলাদেশি গৃহিণী নতুন মায়েদের জন্য ৫০/৩০/২০ নিয়ম

নতুন মায়েদের জন্য অর্থ ব্যবস্থাপনা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে, বিশেষ করে যদি আপনি বাড়িতে থাকেন এবং আয়ের নির্ভরতা অন্য কারও ওপর থাকে। তবে সঠিক বাজেটিং ও খরচের কৌশল অবলম্বন করলে আপনি আর্থিকভাবে স্থিতিশীল থাকতে পারেন। এখানে ৫০/৩০/২০ নিয়ম ব্যবহার করে অর্থ সঞ্চয় ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের কিছু কার্যকর উপায় তুলে ধরা হলো।

৫০/৩০/২০ বাজেটিং নিয়ম কী?

এই নিয়ম অনুসারে—
🔹 ৫০% প্রয়োজনীয় খরচ – বাসা ভাড়া, খাবার, বিদ্যুৎ বিল, স্বাস্থ্য খরচ ইত্যাদির জন্য।
🔹 ৩০% ইচ্ছামত খরচ – বিনোদন, পোশাক, বাইরে খাওয়া ইত্যাদির জন্য।
🔹 ২০% সঞ্চয় ও বিনিয়োগ – জরুরি তহবিল, ভবিষ্যতের সঞ্চয়, ও বিনিয়োগের জন্য।

সঞ্চয় বাড়াতে "চাহিদা" উপেক্ষা করুন

✔ প্রথমে অন্তত ৬ মাসের খরচের সমপরিমাণ জরুরি তহবিল গড়ে তুলুন।
✔ "চাহিদা" (Want) পূরণের আগে সঞ্চয়ে মনোযোগ দিন।
✔ আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সঞ্চয়ের পরিমাণ বাড়ানোর চেষ্টা করুন।

বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে খরচ কমানোর উপায়

১. স্মার্ট কেনাকাটার কৌশল

ক্রয় করার আগে প্রয়োজন যাচাই করুন – অপ্রয়োজনীয় কিছু কিনবেন না।
ব্যবহার করে দেখুন, তারপর কিনুন – কোনো বড় কেনাকাটা করার আগে ভালোভাবে গবেষণা করুন।
মেরামত করুন, পুনরায় ব্যবহার করুন – নষ্ট হলে ফেলে না দিয়ে মেরামত করে ব্যবহার করুন।
বিনিময় বা ধার নিন – কিছু জিনিস (যেমন বাচ্চার জামা, খেলনা, বই) কিনে না নিয়ে পরিচিতদের কাছ থেকে ধার নিয়ে ব্যবহার করুন।
পুরাতন বা সেকেন্ড হ্যান্ড পণ্য কিনুন – ব্যবহৃত ফার্নিচার, ইলেকট্রনিক্স, পোশাক কিনে অনেক টাকা বাঁচানো যায়।
নিজেই তৈরি করুন – ছোটখাটো জিনিস যেমন শিশুদের পোশাক, রান্নাঘরের উপকরণ ইত্যাদি নিজে তৈরি করলে খরচ কমে।

২. মৌসুমি খাবার কিনুন ও বুদ্ধিমত্তার সাথে রান্না করুন

মৌসুমি খাবার কিনুন – বাজারের যেসব ফল-সবজি মৌসুমী, সেগুলো কম দামে পাওয়া যায় ও স্বাস্থ্যকর।
কম উপকরণে সুস্বাদু রান্না – এমন মেনু তৈরি করুন যাতে কম উপাদানে পুষ্টিকর ও সুস্বাদু খাবার বানানো যায়।
অতিরিক্ত রান্না এড়িয়ে চলুন – খাবার অপচয় করবেন না, বরং মেপে রান্না করুন।

৩. ব্যয়ের চেয়ে কম ব্যয়ে জীবনযাপন করুন

বাড়তি খরচ কমান – অপ্রয়োজনীয় বিল, সাবস্ক্রিপশন, অতিরিক্ত পোশাক, মেকআপ ইত্যাদি কাটছাঁট করুন।
সস্তায় বিনোদন নিন – বাইরে ঘুরতে যাওয়ার বদলে ঘরে পরিবারসহ বিনোদনমূলক কাজ করুন।
পরিবহন খরচ কমান – ছোট দূরত্বের জন্য হেঁটে যান, এতে স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে ও টাকা সাশ্রয় হবে।

৪. আয়ের উৎস তৈরি করুন

ঘরে বসে কাজ করুন – অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং, হস্তশিল্প, কুকিং, প্রাইভেট টিউশন ইত্যাদি মাধ্যমে বাড়তি আয় করুন।
কিছু অর্থ বিনিয়োগ করুন – সামান্য হলেও সঞ্চয় করে বিনিয়োগ করুন যাতে ভবিষ্যতে আয়ের উৎস বাড়ে।

উপসংহার

বুদ্ধিমত্তার সাথে পরিকল্পিত বাজেট ও খরচের নিয়ন্ত্রণ আপনাকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করবে। চাহিদার চেয়ে সঞ্চয়কে অগ্রাধিকার দিন এবং কম খরচে জীবনযাপন করুন। পরিশ্রম ও সচেতনতার মাধ্যমে আপনি ভবিষ্যতের জন্য একটি নিরাপদ আর্থিক ভিত্তি গড়ে তুলতে পারবেন।

শুক্রবার, ৫ মে, ২০২৩

নতুন মায়েদের জন্য ব্যক্তিগত উন্নয়নের দক্ষতা

 

নতুন মায়েদের জন্য ব্যক্তিগত উন্নয়নের দক্ষতা

নতুন মা হওয়া একটি উত্তেজনাপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ সময়, এবং এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি নিজের ব্যক্তিগত উন্নয়নকে গুরুত্ব দেন। এতে করে আপনি শুধু একজন ভালো মা হতে পারবেন না, বরং নিজেকেও আরও আত্মবিশ্বাসী ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে পারবেন। এখানে নতুন মায়েদের জন্য কিছু ব্যক্তিগত উন্নয়নের টিপস দেওয়া হলো—

১. নতুন দক্ষতা অর্জন করুন

মা হওয়া শেখার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, এবং এতে অনেক কিছু জানতে হয়। বই পড়া, অনলাইন কোর্স করা বা ক্লাসে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে আপনি নবজাতকের যত্ন, বুকের দুধ খাওয়ানো, শিশুদের প্রাথমিক চিকিৎসার মতো গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা শিখতে পারেন।

২. নিজের যত্নকে অগ্রাধিকার দিন

অনেক মা নিজের চাহিদাকে শেষের দিকে রাখেন, যা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর হতে পারে। যথেষ্ট ঘুম, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং নিজের পছন্দের কাজ করার জন্য সময় বের করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে আপনি মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকবেন এবং শিশুর যত্ন নেওয়ার শক্তি পাবেন।

৩. লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

নিজের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করলে আপনি অনুপ্রাণিত ও ফোকাসড থাকতে পারবেন। এই লক্ষ্য ছোট হতে পারে, যেমন একটি বই পড়া বা নতুন রেসিপি শেখা, অথবা বড় হতে পারে, যেমন নতুন ক্যারিয়ার শুরু করা বা ব্যবসা চালু করা।

৪. মননশীলতা (Mindfulness) অনুশীলন করুন

মাতৃত্বের চড়াই-উতরাই সামলাতে মেডিটেশন, যোগব্যায়াম বা ডায়েরি লেখার মতো মননশীলতার চর্চা করুন। প্রতিদিন কয়েক মিনিট সময় নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে চিন্তা করুন এবং বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগ দিন।

৫. অন্যান্য মায়েদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন

অন্যান্য মায়েদের সঙ্গে কথা বলা বা অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া খুবই সহায়ক হতে পারে। নতুন মায়েদের গ্রুপে যোগ দিন, প্যারেন্টিং ক্লাসে অংশ নিন, অথবা অনলাইনে মায়েদের কমিউনিটির সাথে যুক্ত হোন যাতে আপনি সহায়ক পরামর্শ ও মানসিক সমর্থন পেতে পারেন।

৬. নিজের স্বাস্থ্য ভালো রাখুন

পর্যাপ্ত ঘুমান: পর্যাপ্ত ঘুম মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত জরুরি। শিশুর ঘুমের সময়ে সুযোগ পেলে ছোট ছোট ঘুম দিন।
পুষ্টিকর খাবার খান: গর্ভকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সুস্থতার জন্য সুষম খাদ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রচুর পানি পান করুন এবং ফল, সবজি, চর্বিহীন প্রোটিন ও শস্যজাতীয় খাবার খান।
নিয়মিত ব্যায়াম করুন: ব্যায়াম আপনার মন ভালো রাখবে, শক্তি বাড়াবে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে। তবে যেকোনো ব্যায়াম শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
স্ট্রেস কমান: নতুন মা হওয়া চাপের হতে পারে, তাই স্ট্রেস কমানোর উপায় খুঁজে নিন। মেডিটেশন, ব্যায়াম, বই পড়া বা প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটানো ভালো উপায় হতে পারে।
সহায়তা নিন: পরিবারের সদস্য, স্বামী বা বন্ধুদের সহায়তা নিতে দ্বিধা করবেন না। যদি মানসিক চাপ বেশি হয় বা প্রসব-পরবর্তী হতাশা অনুভব করেন, তাহলে পেশাদার কাউন্সেলিং নেওয়ার কথা ভাবতে পারেন।

শেষ কথা

নতুন মা হওয়া একটি যাত্রা, এবং এটি করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট "ঠিক" উপায় নেই। নিজের ব্যক্তিগত উন্নয়নকে গুরুত্ব দিন, তবে একইসাথে নিজেকে দয়া করুন এবং ভুল করার সুযোগ দিন। প্রতিটি দিন নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসে, তাই শেখার মনোভাব ধরে রাখুন এবং মাতৃত্বের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করুন।

শুক্রবার, ২২ জুলাই, ২০২২

Tips to handle angry person

techniques for cooling down situations that threaten to ignite when you don't want them to. In all but the rarest of cases, you'll feel better and come up with more effective solutions when you contain conflict rather than give anger a free rein.

Listening deeply

Controlling pace, space, and breath

Asking for clarification

Speaking softly

Connecting

Dropping defensiveness: verbally and nonverbally

Finding agreement where you can

Developing distractions

মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০২২

খাবারের খরচ কমাতে গৃহিণীদের সহজ এবং স্মার্ট টিপস

 

খাবারে খরচ বাঁচানোর উপায়

খাবারের খরচ কমানো অনেক সহজ যদি আপনি কিছু কৌশল জানেন এবং সেগুলো কাজে লাগান। নিচে কিছু সহজ এবং কার্যকরী উপায় দেয়া হলো যেগুলো আপনাকে খাবারের জন্য কম খরচ করতে সাহায্য করবে।



১. নির্দিষ্ট তালিকা অনুযায়ী কেনাকাটা করুন: বাজারে যাওয়ার আগে একটি নির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করুন এবং সেটি মেনে চলুন। এটি আপনাকে অপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনার থেকে বিরত রাখবে এবং বাজেট অনুযায়ী কেনাকাটা করতে সাহায্য করবে।

২. ফ্রিজ এবং স্টোর চেক করুন: বাজারে যাওয়ার আগে আপনার ফ্রিজ এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবারগুলো চেক করুন। এতে আপনি অপ্রয়োজনীয়ভাবে আবার একই পণ্য কিনবেন না।

৩. মেনু তৈরি করে কেনাকাটা করুন: একটি সাপ্তাহিক মেনু তৈরি করুন এবং মেনুর জন্য যেসব উপকরণ দরকার, সেগুলোর তালিকা তৈরি করুন। এতে করে আপনার কেনাকাটা আরও পরিকল্পিত হবে।

৪. সুপারশপ এড়িয়ে চলুন: সুপারশপে অনেক পণ্য দাম বেশি থাকে। তাই চেষ্টা করুন কাঁচাবাজার বা পাইকারি বাজারে যাওয়ার, যেখানে আপনি কম দামে পণ্য পেতে পারেন।

৫. বাল্কে কেনাকাটা করুন: কিছু পণ্য যেমন ডাল, চিনি, চাল ইত্যাদি বাল্কে কেনা সাশ্রয়ী হতে পারে। বাল্কে কেনা হলে দাম কম এবং দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যাবে।

৬. কেনার আগে গবেষণা করুন: যেকোনো পণ্য কেনার আগে তার দাম এবং মান সম্পর্কে কিছু গবেষণা করুন। অনেক সময় একই পণ্যের দাম বিভিন্ন দোকানে ভিন্ন হতে পারে।

৭. সুপারশপের সদস্য হন: কিছু সুপারশপে সদস্য হলে ডিসকাউন্ট এবং অন্যান্য সুবিধা পাওয়া যায়। এটি আপনার সাশ্রয়ে সাহায্য করবে।

৮. বাজারে যাওয়ার আগে খাবার খেয়ে যান: বাজারে খালি পেটে গেলে অপ্রয়োজনীয় জাঙ্ক ফুড কেনার সম্ভাবনা থাকে। তাই বাজারে যাওয়ার আগে খাবার খেয়ে যান।

৯. ব্র্যান্ডেড পণ্য এড়িয়ে চলুন: ব্র্যান্ডেড পণ্য সাধারণত দাম বেশি হয়, কিন্তু তাদের মতো মানের পণ্য বাজারে অন্যান্য ব্র্যান্ডেও পাওয়া যায় যা সস্তা।

১০. পণ্য কেনার আগে তার ওজন এবং দাম দেখে সিদ্ধান্ত নিন: অনেক সময় পণ্যটির ওজন এবং দাম দেখতে ভুলে যাই, কিন্তু এর মাধ্যমে আপনি খরচ কমাতে পারবেন।

১১. সরল রেসিপি ব্যবহার করুন: কম উপকরণে বানানো সহজ রেসিপি ব্যবহার করুন। এতে খরচ কম হবে এবং খাবারও স্বাদে ভালো হবে।

১২. প্রোটিনের পরিমাণ কম দিন: প্রোটিনের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি। তাই রেসিপি তৈরি করার সময় প্রোটিন কম ব্যবহার করুন।

১৩. বাকি খাবার বুদ্ধি করে ব্যবহার করুন: leftover খাবারগুলো অপচয় না করে আবার নতুনভাবে রান্না করে খাওয়া যেতে পারে। এটি আপনার খরচ কমাতে সাহায্য করবে।

১৪. খাদ্য অপচয়: বিশ্বজুড়ে খাবারের অপচয় উদ্বেগজনক। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর ৪০% খাবার অপচয় হয়, আর ইউরোপে এই পরিমাণ ৩১%। এটি প্রতি পরিবারের জন্য একটি বড় আর্থিক ক্ষতি।

১৫. নিজের সবজি চাষ করুন: যদি সম্ভব হয়, আপনি বাড়িতে কিছু মৌলিক সবজি যেমন টমেটো, শসা, মরিচ ইত্যাদি চাষ করতে পারেন। এতে খরচ কম হবে এবং আপনি স্বাস্থ্যকর খাবার পাবেন।

১৬. ঘরে রান্না করুন: বাইরের খাবারের জন্য বাইরে না গিয়ে ঘরে রান্না করা আরও সস্তা এবং স্বাস্থ্যকর।

১৭. বন্ধুদের এবং পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানিয়ে খাবার খাওয়া: রেস্তোরাঁতে যাওয়ার পরিবর্তে বাড়িতে বন্ধুদের এবং পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানিয়ে একসঙ্গে খাওয়া অনেক সস্তা এবং আরও আনন্দময় হতে পারে।

১৮. যাত্রা পথে বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে যান: যাত্রা বা ভ্রমণের সময় বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে যান। ট্রান্সপোর্টে খাবার কেনা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি খরচ করতে পারে।

১৯. ভ্রমণ বা ছুটির সময় খাবার কিনতে গবেষণা করুন: যদি বাইরে কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা করেন, তবে গবেষণা করুন এবং কোথায় সস্তা এবং সুস্বাদু খাবার পাওয়া যাবে, যাতে খরচ কমাতে পারেন।

২০. খাবারে অর্থ সাশ্রয় সম্পর্কে বই এবং ইউটিউব ভিডিও দেখুন: খাদ্য খরচ সাশ্রয় করার জন্য অনেক বই এবং ইউটিউব ভিডিও রয়েছে। এগুলো দেখে আপনি আরো ভালভাবে খরচ কমাতে পারবেন এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বজায় রাখতে পারবেন।

শেষ কথা: যদি আপনি আপনার খরচের দিকে সতর্ক নজর রাখেন এবং সঠিক পদক্ষেপ নেন, তাহলে আপনি খাবারে খরচ কমাতে সক্ষম হবেন এবং আরও অর্থ সঞ্চয় করতে পারবেন।

শনিবার, ১৯ মার্চ, ২০২২

Tips to make successful budget

 Tips to make successful budget 

       Determine your goals

       choose a budgeting method: Zero-based budget, Envelope system, 50/20/30 budget, Pay-yourself-first budget

        Use a budgeting worksheet or dairy

       List your income: Gather Your Financial statements

       List your expenses. : fixed expenses and variable expenses

       Subtract your expenses from your income: Make Adjustments to Expenses

        Pay off debt

       Prioritize your expenses

       Keep track of every expense

        Analyze your spending habits

        Use a set schedule for spending money

       Get rid of your credit cards, Use cash instead of debit or credit cards

       Automate your savings

       Use savings resources

       Be realistic

       Regularly revisit your budget

       Never spend more than you have

       Try a no-spend challenge

       Stop paying fees (Netflix, Amazon Prime, 

         Hulu, CraveTV)

        Plan your meals

       Do your grocery shopping online

       Compare brands before buy anything

       Adjust your budget during crisis period

       Treat yourself when you reach your goals

       If you have additional income , budgeting these too

       Make a new budget before the month begins.

       Remember that every month is different

       Start with the most important categories first.

       Track your progress. 

       Create a buffer in your budget: Put a small amount of money aside for unexpected expenses throughout the month.

       Be content and quit the comparisons.

        





মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০২২

Know about healthy boundaries for happy life

 Know about healthy boundaries for happy life 

       Boundaries are a way to take care of ourselves. When you understand how to set and maintain healthy boundaries, you can avoid the feelings of resentment, disappointment, and anger that build up when limits have been pushed.

 The Importance Of Setting Boundaries

       Many of us recognize that we are people-pleasers even though we don’t want to be. You don’t want people thinking you’re rude or disrespectful.

       There’s a fine line between being a good person and trying to make people think you’re a good person

       Setting boundaries might sound scary, but it gives you the freedom to spend time doing what you love.  

       Boundaries tell others how you want to be treated (what’s okay and what’s not okay). Boundaries protect you from being mistreated.

       Boundaries create a healthy separation (physical and emotional) between you and others.

       Boundaries give you,  your own personal space and privacy, your own feelings, thoughts, needs, and ideas.

What is loose boundaries and rigid boundaries ?

Loose boundaries means

       get too involved with others’ problems

       find it difficult to say “no” to others’ requests

       overshare personal information with others

       seek to please others for fear of rejection

Rigid boundaries means

       keep others at a distance

       seem detached, even with intimate partners

       have few close relationships

       avoid close relationships

Types of boundaries

       Physical. This refers to your personal space, your privacy, and your body. You might be someone who is comfortable with public displays of affection (hugs, kisses, and hand-holding), or you might be someone who prefers not to be touched in public.

       Sexual. These are your expectations concerning intimacy. Sexual comments and touches might be uncomfortable for you.

       Intellectual. These boundaries concern your thoughts and beliefs. Intellectual boundaries are not respected when someone dismisses another person’s ideas and opinions.

       Emotional. This refers to a person’s feelings. You might not feel comfortable sharing your feelings about everything with a friend or partner. Instead, you prefer to share gradually over time.

Financial. This one, as you guessed, is all about money. If you like to save money — not spend it on trendy fashions — you might not want to loan money to a friend

Tips for boundaries

·         Get crystal clear on your priorities: Getting clear on your priorities will help you figure out what you’re actually willing to spend your time and energy on.

·         Be direct and don’t apologize for your needs: When communicating your boundaries, it’s most effective to be direct and succinct.

·         Boundaries are for your own wellbeing, not to control others Boundaries should never be an attempt to control or punish others. They’re actually a form of self-care 

·         Start small : If you don’t have many boundaries in place already, the prospect of introducing more might seem overwhelming — so build them up slowly.

·         Communicate what you will and will not tolerate If the people around you are always doing or saying things that frustrate you to your core, you have to put your foot down. People will never know that what they’re doing is unacceptable if you never tell them

·         Think about the impact of your actions Something that’s helped me to say no is asking what type of impact an opportunity will have on myself and others. Will it improve our lives or is there something that could make a bigger impact? Think about the amount of time something will take compared to the amount of positive impact it will have. If it will take up more time than it’s worth, say no.

·         Offer an alternatives: If someone asks you to do something and you don’t think you’re the right person for the job, offer an alternative. Recommend a friend, a co-worker, or some kind of tool that could help get the job done.

·         Set them early : “Sometimes it can be really hard to start putting boundaries in, especially in pre-existing relationships,”

·         By setting boundaries and expectations from the very beginning, everyone knows where they stand, and feelings of hurt, confusion, and frustration can be lessened.

·         Be direct and firm with your answer Don’t let people talk you into or out of things. You can still be kind yet firm at the same time. 

·         Be consistent : Don’t let people talk you into or out of things. You can still be kind yet firm at the same time. 

·         Create a framework boundaries are “vary depending on the type of relationship.” However, if you find it helpful, there’s no reason not to have a few basics in place that can be adapted accordingly.

·         Always have a plan B when plan A is failed

·         Feel free to add extras In some aspects of our lives, there are boundaries already in place — such as in the workplace. But consider these the minimum. Colleagues will likely have some of their own in place, and it’s okay for you to add some too.

·         Be aware of social media These platforms allow for more communication than ever, but they’ve also encouraged some considerable boundary blurring.

·         Talk talk talk : Communication is critical in the world of boundaries, especially if someone consistently oversteps yours. While you might need to raise your concerns, these discussions need not be confrontational.

·         Be your biggest champion For boundaries to have a strong foundation, you need to show yourself a bit of love, notes Baker. “If you’ve got a narrative in your head that says you’re worthless and undeserving, then you’re going to find it difficult to put boundaries in place that protect you,” she says. “A lot of it comes down to self-worth and self-value.”

·         Gain some perspective Not having boundaries can be detrimental to our mental health, but going too far and over-thinking them can also impact our emotional well-being








সোমবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

রবীন্দ্রনাথের বাণী সমগ্র

 ·         রবীন্দ্রনাথের বাণী সমগ্র

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দূরত্ব কোনটি জানো? নাহ, জীবন থেকে মৃত্যু পর্যন্ত, উত্তরটা সঠিক নয়। সবচেয়ে বড় দূরত্ব হলো যখন আমি তোমার সামনে থাকি, কিন্তু তুমি জানো না যে আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি।

অতীতকাল যত বড় কালই নিজের সম্বন্ধে বর্তমান কালের একটা স্পর্ধা থাকা উচিত। মনে থাকা উচিত তার মধ্যে জয় করবার শক্তি আছে।

·          অক্ষমের লোভ আলাদিনের প্রদিপের গুজব শুনলেই লাফিয়া অঠে

  • লোকে ভুলে যায় দাম্পত্যটা একটা আর্ট, প্রতিদিন ওকে নতুন করে সৃষ্টি করা চাই
  • আমরা কথার অধীন, প্রধার অধীন অসংখ্য প্রবৃত্তির অধীন
  • পাপকে ঠেকাবার জন্য কিছু না করাই তো পাপ।
  • সে আমার সম্পত্তি নয়, সে আমার সম্পদ
  • সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট

·         ক্ষমাই যদি করতে না পারো, তবে তাকে ভালোবাসো কেন?

নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস, ওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস। নদীর ওপার বসি দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে; কহে, যাহা কিছু সুখ সকলি ওপারে।

চোখ কতটুকুই দেখে কান কতটুকুই শোনো স্পর্শ কতটুকুই বোধ করে। কিন্তু মন এই আপন ক্ষুদ্রতাকে কেবলই ছড়িয়ে যাচ্ছে।

অধিকার ছাড়িয়া দিয়া অধিকার ধরিয়া রাখার মত বিড়ম্বনা আর হয় না